Not a Member? Sign Up    thetrekkit@gmail.com
Our team

Want to join with us ?

Camp Support

Gear support

Planning support

Our Products

Adventure Accessories

2026

Make Your adventures success with us

the trek kit

Top Collections

Special offer in this

Our Categories

Tailored gear for every trek and trail

Knapsack

Rucksack

Trek Hat

Holofil Jacket

Tent

Head torch

footwear

Camping

Backpack

Binoculars

Tent Camp

Life Vest

Adventure Essentials

Quality kits crafted for your journry

Adventure Essentials

Our Favorite
Adventure Trip's story

বেলঘর ওয়াইল্ডলাইফ সাংচুয়ারি 
 
ওড়িশা তে ডারিংবাড়ি আমরা অনেকেই গেছি এবার সন্ধান দেবো নতুন একটা জায়েগা. বেলঘর এর জঙ্গল.
আমরা বন্ধুরা গেছিলাম আজ থেকে ১০ বছর আগে ১৫ অগাস্ট এর সময় কয়েকদিন এর জন্য ডারিংবাড়ি. চেন্নাই রুটের ট্রেন ধরে বেরহামপুর, গোপালপুর আর ডারিংবাড়ি র জন্য স্টেশন টা এখুন অতি পরিচিত. সকাল সকাল পৌছে গেলাম. স্টেশন থেকে বেরিয়ে চট জলদি কিছু প্রাতরাশ সেরে নিলাম. ততক্ষণ গাড়িওয়ালারা ছেঁকে ধরেছে, একটা গাড়ির সাথে ফাইনাল করে রওনা দিলাম ১০০ কিমি দূরে ডারিংবারি র উদ্দেশ্যে- ওড়িশার কাশ্মীর! সাল সেগুনের জঙ্গল দু ধারে, মাঝখানে মসৃণ রাস্তা ঘুরপাক খেতে খেতে পাহাড়ের ওপর উঠছে, মাঝে মাঝে ছোট ছোট গ্রাম, হাট এই সব. এক জায়েগাতে দেখলাম পিঁপড়ের ডিমের বড়া আর হাড়িয়া বিক্রি হচ্ছে, সাথে বন্ধুর টিপ্পণী “খাবি নাকি?”. অল্প একটু টেস্ট করলাম দুটোই তারপর আবার এগোতে থাকলাম. একটা দুটো ভিউপয়েন্ট আসছিলো ছবি তোলার জন্য সেগুলোর সদ্ব্যবহার করে আমরা প্রায় ৩ ঘন্টা পর পৌঁছলাম ডারিংবারি. হোটেল খুঁজে ব্যাগ রেখে বেরোলাম ঘুরতে পায়ে হেঁটে. খুব ছোট একটা পাহাড়ি জনপদ লোকজন বিশেষ নেই, একটা স্কুল , একটা চার্চ, অল্প কিছু দোকানপাট আর  দু টো তিনটে মধ্যম মানের হোটেল. সন্ধে হতেই ঠান্ডা পড়তে লাগলো আর চারিদিকে কুয়াশার চাদর! ব্যাপারটা বেশ দার্জিলিং ফিল আসছিল. ভাগ্যিস হোটেল এ বলাছিলো ডিনার করব না হলে যে কি হত ! সব দোকান পাট বন্ধ ৭ টার পর.
পরের দিন সকাল খুব ভোরে উঠেছি চারিদিক টা বেশ ভালো লাগছিল কিন্তু যেই একটু রোদ উঠল আর কেন জানি না ভালো লাগছিল না, সেই নিরিবিলি বা শান্ত পরিবেশ টা নয়. গাছপালার আধিক্য বেশ কম একদম ওপরে. একটা সারাদিনের জন্য বলেরো বুক করে বেরিয়ে পড়লাম তথাকথিত সাইড সীন করতে. গেলাম একটা পার্ক সেখানে ভিউ পয়েন্ট, একটা এমু পাখি র খামার, কফি বাগান, গোলমরিচ বাগান ! এই সব ! তখুনি মাথায় এলো বেলঘর ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারির কথা, ড্রাইভার বলল অনেক দূর, অনেক সময় লাগবে,extra অনেক টাকা – বললাম দেবো, তুমি ভাই চলো. অগত্যা টাকার কাছে হার মেনে সে আমাদের নিয়ে চললো বেলঘর এর উদ্দেশ্যে. আহা কি রাস্তা! দু পাশে ঘন জঙ্গল মাঝখানে দিয়ে চললাম আমরা মাঝখানে এক পশলা বৃষ্টি হলো মেঘ কুয়াশার খেলা হতে লাগলো. মোবাইল টাওয়ার কবেই হারিয়ে গেছে. মনে হচ্ছে নর্থবেঙ্গল এর পাহাড়ে গাড়ি ছুটছে. বেরহামপুর থেকে ডারিংবারই যা রাস্তা তার থেকে অনেক ভালো সৌন্দর্যের দিক থেকে.
 প্রায় ১০০ কিমি দূর পুরো রাস্তাটাই পাহাড়ের ওপর দিয়ে, সাথে সাথে বৃষ্টি আর মেঘের লুকোচুরি পুরো দার্জিলিং টাইপ একটা ফীল আসছিল, মাঝে মাঝে দু একটা চায়ের দোকান, এতটাই মেঘ চারিদিকে যে কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না. গাড়ি আর না থামিয়ে আমরা এগোতে থাকলাম প্রায় ৩ ঘন্টা যাবার পর পৌছলাম একটা তোরণ এর সামনে লেখা বেলঘর ওয়াইল্ডলাইফ সাংচুয়ারি.
জায়েগা টা আমি আগেও নাম শুনেছিলাম কিন্তু যাবার তাগিদ অনুভব করিনি কারণ আন্দাজ ছিলো প্রকৃতি কি রকম হবে তাই. কিন্তু আসার রাস্তা টা এতটাই ভালো ছিলো যে আমার হিসেব পুরো পাল্টাতে লাগলো. ফুল অফ ওয়াইল্ডারনেস যাকে বলে ! অসাধারণ! পাহাড়ের প্রায় ২০০০ ফিট ওপরে জঙ্গল, নদী, ঝর্ণা ! ছোট একটা বসতি দু একটা দোকান পাট ব্যাস, আর আছে একটা অতিব সুন্দর কাঠের ফরেস্ট বাংলো. খুব ইচ্ছে হলো এক রাত অন্তত ওই বাংলো তে কাটাবো. কিন্তু ইচ্ছে থাকলেই তো হবে না, আমাদের জিনিসপত্র সব ডারিংবাড়ি র হোটেলে, মোবাইল চার্জার পর্যন্ত নেই.  শুধু মানিব্যাগ টা আছে. মোবাইলের কোনও দরকার নেই কারণ কোনও টাওয়ার নেই. একবার ট্রাই মেরেই দেখি ! সোজা গেলাম রেঞ্জার এর কাছে. নানা অনুনয়, অনুরোধ ইত্যাদি করে পাওয়া গেল বাংলো শুধু মাত্র ১ রাতের জন্য. আনন্দে প্রাণ নেচে উঠল! পাশেই বিশাল নদী ঝরনার মতো বাঁক নিয়েছে তার পাশেই এই সুসজ্জিত পুরো কাঠের বাংলো মায় মেঝে পর্যন্ত কাঠের. বুকিং এর পেপার নিয়েই গেলাম আদিবাসী একটা গ্রামে মুরগির খোঁজ করতে.
পিওর দেশি মুরগির ঝোল আর ভাত. রাত এ তুমুল বৃষ্টি! নদীর আওয়াজ ! হারিকেনের আলো ! অসাধারণ রাত কাটল. 
বেলঘর ওয়াইল্ডলাইফ সাংচুয়ারি ওড়িশা রাজ্যের কন্ধমাল জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সংরক্ষিত এলাকা। পূর্বঘাট পর্বতমালার অন্তর্গত এই অভয়ারণ্যটি তার বিস্তীর্ণ অরণ্য, পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য এবং আদিবাসী সংস্কৃতির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।এই অভয়ারণ্যটি মূলত ঘন শাল বন দ্বারা আচ্ছাদিত। শাল ছাড়াও সেগুন, পিয়াসাল, মহুয়া, বাঁশ, অর্জুন, কুসুম প্রভৃতি গাছ এখানে প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। এসব গাছপালা শুধু বন্যপ্রাণীদের খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে না, বরং স্থানীয় মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। বনজ সম্পদের উপর নির্ভর করে এখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠী—বিশেষত কন্ধ (Kondh) সম্প্রদায়—তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন পরিচালনা করে।পাহাড়, উপত্যকা, ছোট ছোট নদী ও ঝর্ণা মিলিয়ে এখানে একটি অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষাকালে এই অঞ্চল আরও মনোরম হয়ে ওঠে। এই অভয়ারণ্যটি বন্যপ্রাণীর জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এখানে হাতি অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।এছাড়াও এখানে চিতা (লেপার্ড), সাম্বর হরিণ, চিতল হরিণ, মায়া হরিণ, নীলগাই, বন্য শূকর, ভালুক, বনবিড়াল ও শিয়ালের মতো নানা স্তন্যপায়ী প্রাণী বসবাস করে। এসব প্রাণীর উপস্থিতি এই অঞ্চলের বাস্তুতন্ত্রকে সমৃদ্ধ ও ভারসাম্যপূর্ণ রাখে।যদিও সময়ের অভাবে আমরা কিছুই দেখতে পাইনি. পাখিপ্রেমীদের কাছেও বেলঘর অভয়ারণ্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির আবাসিক ও পরিযায়ী পাখি দেখা যায়। ময়ূর, বনমোরগ, কাঠঠোকরা, শালিক, ঈগল, বাজপাখি এবং নানা রঙিন ছোট পাখি এই অরণ্যের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে। পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে ভোরবেলা অরণ্য যেন প্রাণ ফিরে পায়।সরীসৃপ ও উভচর প্রাণীর দিক থেকেও এই অভয়ারণ্য সমৃদ্ধ। বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ ও ব্যাঙ এখানে পাওয়া যায়। যদিও এসব প্রাণী অনেক সময় মানুষের ভয়ের কারণ হয়, তবুও বাস্তুতন্ত্রে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা খাদ্যশৃঙ্খল বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষা করে।বেলঘর শুধু  প্রাকৃতিক সম্পদের জন্যই নয়, বরং সাংস্কৃতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠী প্রাচীন রীতিনীতি, লোকসংস্কৃতি ও প্রকৃতিনির্ভর জীবনধারার ধারক। তাদের উৎসব, নৃত্য, সংগীত ও ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। বনকে তারা শুধুমাত্র সম্পদের উৎস হিসেবে নয়, বরং জীবনের অংশ ও পবিত্র সত্তা হিসেবে দেখে। পরদিন কেয়ারটেকার এর ডাকে ঘুম ভাঙলো. চা নিয়ে ঝর্ণার সামনে বসলাম কিছুক্ষণ. আসতে মন চাইছে না কিন্তু চিন্তা হচ্ছে ডারিংবাড়ি র হোটেলওলা আবার পুলিশ এ খবর না দিয়ে দে মিসিং বলে ! অগত্যা বেরোতে হলো বেলঘর ছেড়ে. অপূর্ব বাংলো টা ছেড়ে. ফিরে গেলাম আবার ১০০ কিমি দূরে ডারিংবাড়ি র দিকে.

Free shipping

Free shipping for orders over $130

Money Guarantee

Within 30 days for an exchange

Online Support

24 Hours a day. & 7 days a week

Flexible Payment

Pay with Multiple Credit Cards

Want to explore unexplored places? want to go to forest? Are you solo traveler? or a female tourist? want to join us?- Ask us.

Our first ever Hobbit house-PATALGHAR- For booking- 98319-39884
Our first Hobbit house- Patalghar For booking 98319-39884
Our first ever Hobbit house-PATALGHAR- For booking- 98319-39884
Our first ever Hobbit house-PATALGHAR- For booking- 98319-39884
Our first ever Hobbit house-PATALGHAR- For booking- 98319-39884

Shopping cart

2

Subtotal: 4,050.00

View cartCheckout